গ্যাসের চাহিদা পূরণে  ১৮ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

Sep 12, 2026 - 18:08
Sep 12, 2026 - 18:08
 0  7
গ্যাসের চাহিদা পূরণে  ১৮ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

জরুরি গ্যাসের চাহিদা পূরণে দরপত্র ছাড়াই ১৮ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার ।পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ ও মজুদ কমে যাওয়ায় দরপত্র ছাড়াই সরাসরি এলএনজি ও জ্বালানি আমদানির বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই এলএনজি ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয় এবং প্রয়োজনে উভয় পক্ষের সম্মতিতে আরও অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত আগস্ট মাসেও দরপত্র ছাড়াই কয়েক দফায় ২২ কার্গো এলএনজি এবং ৫ হাজার টন এলপিজি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

এদিকে জ্বালানি আমদানির এই ধারাবাহিকতায় একই দিনে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ডিজেল, ফার্নেস অয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানির বেশ কিছু প্রস্তাব অনুমোদন ও পর্যালোচনার জন্য আসে। সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত কোম্পানি ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেড এবং ভাইটল এশিয়া থেকে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও জেট ফুয়েল কেনার প্রস্তাব রয়েছে।

পাশাপাশি ইউনিপে সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টন ডিজেল (৭৯২ কোটি টাকা), ভাইটল এশিয়া থেকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টন ডিজেল (১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা) এবং ট্রাফিগুরা থেকে ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ টন ফার্নেস অয়েল (৮০১ কোটি টাকা) আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই জ্বালানিগুলো কেনার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রিমিয়াম এবং রেফারেন্স মূল্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে চূড়ান্ত দর ঠিক করে তা পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

শিল্প ভিশন: বাংলাদেশের শিল্পায়ন, উৎপাদন, বাণিজ্য, রপ্তানি ও শিল্পনীতির সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য Industry Intelligence Hub হওয়া; যা নীতিনির্ধারক, শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা ভাষার প্রধান জ্ঞানভান্ডার ও রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের শিল্পখাত, উৎপাদন ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, রপ্তানি-আমদানি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME), সরবরাহ শৃঙ্খল এবং শিল্পনীতিকে তথ্য, গবেষণা, ডেটা ও বৈশ্বিক তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে শিল্পোন্নয়ন, প্রতিযোগিতা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে জ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা যায়।